জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

Concerns Over Energy Security

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে চলেছে। সরকারি তথ্যেই এই উদ্বেগের কথা সামনে আনা হয়েছে। নয়াদিল্লি সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিই এই উদ্বেগের কারণ। জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় সর্বদল বৈঠকের ডাক কেন্দ্রীয় সরকারের। সরকারিভাবে প্রস্তুত থাকার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। মজুত করা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে,তা অনেকটাই অস্পষ্ট।

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় কেন বাড়ছে সংশয় তা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন সবাই। মূল কারণগুলি হল – পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত প্রভাবের জের, আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা প্রবল, হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি অনিশ্চিত তাছাড়া পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আরও বিপদ বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে জ্বালানি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখন সবচেয়ে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি মজুত নিয়ে আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। ভাণ্ডারের পরিমাণ কতটা তা স্পষ্ট করা হয়নি। বিশেষজ্ঞদের ইঙ্গিত, মোট ধারণক্ষমতার প্রায় ৬৪% ব্যবহারযোগ্য। বিশেষ এই পরিস্থিতিতে কতদিনের চাহিদা মিটবে তার পূর্বাভাস মেলেনি।

কেন্দ্রীয় সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর বার্তা- পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সঙ্কট বাড়বে। দেশের জনগণকে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পদক্ষেপ হিসেবে মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য দেশ থেকে জ্বালানি আমদানির পরিসর বাড়ানোর বিষয়টিও ভাবা হয়েছে। পাশাপাশি আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধীপক্ষের বক্তব্য হচ্ছে,সরকারি মজুত ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে তফাৎ অনেকটাই। এক্ষেত্রে রোডম্যাপ স্পষ্ট নয়। বর্তমান আবহে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য কী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, সেদিকে নজর থাকছে আমজনতার তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার সরকারি উদ্যোগ চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *